ক্যাম্পাস কমার্সে নিষিদ্ধ পণ্য
ক্যাম্পাস কমার্সের বিক্রেতারা নিচের কোনো কিছু, এবং আইনত বিক্রির অধিকার নেই এমন কিছুই তালিকাভুক্ত না করতে সম্মত হন। এই তালিকা বিক্রেতা চুক্তির অংশ। এটি ভাঙে এমন বিজ্ঞাপন আমরা সরিয়ে দিই এবং সতর্কতা ছাড়াই দোকান স্থগিত করতে পারি।
- মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য — বিক্রি করা বেআইনি, এবং অপরিচিতদের মধ্যে হাতবদল কখনোই নিরাপদ নয়।
- ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম — বিক্রির জন্য ওষুধের লাইসেন্স লাগে, আর ভুল ডোজ বা নকল ওষুধ কারও ক্ষতি করতে পারে।
- অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক — বিপজ্জনক, এবং যেখানে অনুমোদিত সেখানেও আইনি লাইসেন্স লাগে।
- পুলিশ বা সামরিক সরঞ্জাম — ইউনিফর্ম, ব্যাজ ও সরঞ্জাম দিয়ে কর্মকর্তা সেজে প্রতারণা করা যায়।
- মদ ও অ্যালকোহল — বিক্রির জন্য এমন লাইসেন্স লাগে যা কোনো শিক্ষার্থী বিক্রেতার নেই।
- তামাক, ই-সিগারেট ও ভেপ — তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে সীমিত, আর বাংলাদেশে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ।
- প্রাপ্তবয়স্ক ও যৌন সামগ্রী — দণ্ডবিধি ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ অনুযায়ী নিষিদ্ধ।
- নকল বা রেপ্লিকা পণ্য — ক্রেতাকে ঠকায় এবং ভোক্তা ও ট্রেডমার্ক আইন ভঙ্গ করে।
- পাইরেটেড সফটওয়্যার, মিডিয়া ও ই-বুক — স্বত্বাধিকারীর অনুমতি ছাড়া বিক্রি করা কপি।
- চুরি করা মালামাল — বিক্রি করা অপরাধ, আর আসল মালিক দুবার ক্ষতিগ্রস্ত হন।
- পরীক্ষার প্রশ্ন, ফাঁস প্রশ্ন ও উত্তরপত্র — পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী অপরাধ।
- ফরমায়েশি অ্যাসাইনমেন্ট বা থিসিস — শিক্ষাগত অসততা, যা ফ্রেশার্জের সব জায়গার মতো এখানেও গুরুতরভাবে দেখা হয়।
- পরিচয়পত্র, সনদ ও দলিল — সরকারি কাগজ যাঁর নামে তাঁরই, আর কপি জালিয়াতির সুযোগ তৈরি করে।
- সিম কার্ড ও মোবাইল অ্যাকাউন্ট — প্রতিটি সিম একজনের এনআইডিতে নিবন্ধিত, তাই হাতবদল করা যায় না।
- টাকা, ক্রিপ্টো, গিফট কার্ড, ওয়ালেট ও ঋণ — আর্থিক সেবার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি লাগে, আর এতে প্রতারণার ঝুঁকি বেশি।
- জুয়া, বাজি, লটারি ও র্যাফেল — ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ।
- এমএলএম ও পিরামিড স্কিম — ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকায় নিষিদ্ধ; সদস্যরা টাকা দেন, পান খুব কম জন।
- জীবন্ত প্রাণী ও বন্যপ্রাণীজাত পণ্য — প্রাণী কোনো পার্সেল নয়, আর বন্যপ্রাণী ব্যবসা বন্যপ্রাণী আইন, ২০১২ দ্বারা সীমিত।
- মানবদেহের অঙ্গ, রক্ত ও শরীরের তরল — এগুলোর বিক্রি বেআইনি ও অনিরাপদ।
- দাহ্য, বিষাক্ত ও বিপজ্জনক রাসায়নিক — রাখতে লাইসেন্স লাগে, আর হস্তান্তরের জায়গায় নিরাপদে বহন করা যায় না।
- গোপন ক্যামেরা, হ্যাকিং, সিম-ক্লোনিং ও তালা খোলার সরঞ্জাম — অন্যের গোপনীয়তা বা সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের জন্য তৈরি।
- মেয়াদোত্তীর্ণ, ভেজাল বা প্রত্যাহার করা পণ্য — অনিরাপদ, এবং ভোক্তা ও খাদ্য নিরাপত্তা আইনে অপরাধ।
- ব্যবহৃত প্রসাধনী ও স্বাস্থ্যসামগ্রী — পরের জনের জন্য নিরাপদ হওয়ার মতো করে পরিষ্কার করা যায় না।
- বিদ্বেষমূলক, অশ্লীল বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী সামগ্রী — মানুষকে আক্রমণ করে, আর আইনে এর শাস্তি আছে।
ডিজিটাল ফাইল
- পাঠ্যবইয়ের কপি বা স্ক্যান — এর মালিক প্রকাশক।
- প্রকাশ না হওয়া প্রশ্নপত্র — পরীক্ষা ফাঁস হলে সেই পরীক্ষার প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ক্ষতি হয়।
- জমা দেওয়ার জন্য সমাধান করা অ্যাসাইনমেন্ট বা ল্যাব রিপোর্ট — অন্যের নামে জমা দেওয়ার কাজ বিক্রি করা একাডেমিক অসততা।
- ফরমাশে থিসিস বা অ্যাসাইনমেন্ট লিখে দেওয়া — একই কারণে।
- সফটওয়্যার কী, ক্র্যাক বা পাইরেটেড সফটওয়্যার — এগুলো লাইসেন্স ভাঙে এবং প্রায়ই ম্যালওয়্যার বহন করে।
- স্ট্রিমিং বা সাবস্ক্রিপশন অ্যাকাউন্ট শেয়ার — এটি সেবার শর্ত ভাঙে এবং ক্রেতার তথ্য ঝুঁকিতে ফেলে।
- অন্যের ব্যক্তিগত তথ্যযুক্ত যেকোনো কিছু — ফোন তালিকা, পরিচয়পত্রের স্ক্যান, যোগাযোগের তালিকা।
- ম্যালওয়্যার, স্ক্রিপ্ট বা ম্যাক্রোযুক্ত ফাইল — এগুলো ক্রেতার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে।
আপনার কপিরাইট ভাঙে বা এই নিয়ম ভাঙে এমন কোনো ফাইল জানাতে support@fresherzjob.com-এ লিখুন অথবা পণ্যের পাতায় রিপোর্ট ব্যবহার করুন। আমরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিই।
কোনো কিছু অনুমোদিত কি না নিশ্চিত নন? তালিকাভুক্ত করার আগে support@fresherzjob.com-এ জিজ্ঞেস করুন। কোনো বিজ্ঞাপন জানাতে পণ্যের পাতায় রিপোর্ট ব্যবহার করুন।